স্কুল ও মাদরাসার বার্ষিক পরীক্ষা শুরু বুধবার

আগামী বুধবার (২৪ নভেম্বর) থেকে স্কুলগুলো ও মাদরাসাগুলোতে ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষা ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের প্রাক নির্বাচনী বা প্রি-টেস্ট পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত এ পরীক্ষা চলবে। বাংলা, ইংরেজি ও সাধারণ গণিত বিষয়ের বার্ষিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে স্কুলের ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের। মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের তিন বিষয়ের বার্ষিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার ঘোষণা আসলেও দাখিল পর্যায়ের ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের চার বিষয়ে বার্ষিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। অতিরিক্ত বিষয় হিসেবে কুরআন মাজিদ ও তাজভিদ পরীক্ষা দিতে হবে মাদরাসার ৬ষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের।

ইতোমধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর ও মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে স্কুল ও মাদরাসাগুলোকে পরীক্ষার বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একইসাথে বার্ষিক পরীক্ষার নম্বর বিন্যাস, সিলেবাসসহ বিস্তারিত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষা :

মাউশির এক আদেশে বলা হয়েছে, আগামী ২৪ নভেম্বর থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষা হবে। এবং ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের প্রাক নির্বাচনী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার্থীদের বাংলা, ইংরেজি ও সাধারণ গণিত বিষয়ের পরীক্ষা নিতে হবে। পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের মান হবে ৫০ নম্বর। প্রতিটি বিষয়ের পরীক্ষা হবে দেড় ঘণ্টা।

অধিদপ্তর বলেছে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার সিলেবাস হবে যেসব অধ্যায় থেকে বাংলা, গণিত ও সাধারণ গণিত বিষয়ে অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া হয়েছে সেসব অধ্যায় এবং ১২ সেপ্টেম্বর থেকে যেসব অধ্যায়ের ওপর পাঠদান করানো হয়েছে সেটা।

বাংলা ১ম ও ২য় পত্র বিষয়ের নম্বর হবে ৫০। এর মধ্যে লিখিত অংশে ৩৫ ও এমসিকিউ অংশে ১৫ নম্বর। ইংরেজি ১ম ও ২য় পত্র থেকে ৫০ নম্বরে পরীক্ষা হবে। পরীক্ষায় প্রথম পত্র থেকে ৩০ নম্বরে ও ২য় পত্র থেকে ২০ নম্বরের প্রশ্ন থাকবে। সাধারণ গণিত পরীক্ষা হবে ৫০ নম্বরে। এর ৩৫ নম্বর থাকবে লিখিত অংশে ও এমসিকিউ অংশে থাকবে ১৫ নম্বর।

অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, প্রত্যেক শিক্ষার্থীর বার্ষিক পরীক্ষার নম্বরের সাথে চলমান সব বিষয়ের অ্যাসাইনমেন্টের ওপর ৪০ নম্বর যোগ করতে হবে। পরীক্ষায় ৭ম থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের অংশগ্রহণ ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ওপর আরও ১০ নম্বর যোগ করতে হবে। আর ৬ষ্ঠ শ্রেণির থেকে শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার সঙ্গে বৃক্ষরোপন প্রকল্পে তাদের কর্মতৎপরতা যুক্ত করে এ ১০ নম্বর যোগ করতে হবে। মোট ১০০ নম্বরের ওপর প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে মূল্যায়নের পর বার্ষিক পরীক্ষা ফল তৈরি করে শিক্ষার্থীদের প্রগ্রেসিভ রিপোর্ট দিতে হবে।

শিক্ষার আরও খবর জানুন:

প্রথম আলো: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি দেবে চবি

অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে ২০২১ শিক্ষাবর্ষে এ পরীক্ষা ছাড়া আর কোনো পরীক্ষা নেওয়া যাবে না। অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মেনে বার্ষিক ও প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষা নিতে হবে স্কুলগুলোকে।

কিউআইএসআই গুরুকুল সাইটটি ব্যবহার করায় আপনাকে ধন্যবাদ। আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে “যোগাযোগ” আর্টিকেলটি দেখুন, যোগাযোগের বিস্তারিত দেয়া আছে।

মন্তব্য করুন