জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এর অনার্স চতুর্থ বর্ষের পরীক্ষা শুরু কাল

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এর অনার্স চতুর্থ বর্ষের পরীক্ষা শুরু কাল

এর অধিভুক্ত সকল কলেজগুলোর ২০২০ সালের অনার্স চতুর্থ বর্ষের নিয়মিত এবং বিশেষ পরীক্ষা সারাদেশে একযোগে বুধবার (২৯ ডিসেম্বর) হতে শুরু হবে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এর অনার্স চতুর্থ বর্ষের পরীক্ষা শুরু কাল
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এর অনার্স চতুর্থ বর্ষের পরীক্ষা শুরু কাল

 জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাপ্তাহিক ও সরকারি ছুটি বাদে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে এ পরীক্ষা শুরু হবে। আর আগামী বছরের ৬ ফেব্রুয়ারি এ পরীক্ষা শেষ হবে।

 বিজ্ঞপ্তির মধ্যে আরও বলা হয়েছিলো, পরীক্ষার জন্য যাবতীয় প্রস্তুতি করা সম্পন্ন হয়েছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের গাজীপুর ক্যাম্পাসের পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য একটি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে।

 জরুরি প্রয়োজনে ০২-৯২৯১০১৭/০২-৯২৯১০৩১, মোবাইল নং- ০১৭১১৫৪৩৮৩৮, ০১৩১৩০৫২৩৬১ নম্বরে যোগাযোগের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ করা হয়েছে। এছাড়া, পরীক্ষা সংক্রান্ত সকল তথ্য ও নির্দেশনা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট www.nu.ac.bd -এ পাওয়া যাবে।

[জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এর অনার্স চতুর্থ বর্ষের পরীক্ষা শুরু কাল]

শিক্ষার অন্যান্য খবর সম্পর্কে জানুন:

প্রথম আলো: কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা: ইউজিসির সদস্য

কিউআইএসআই গুরুকুল সাইটটি ব্যবহার করায় আপনাকে ধন্যবাদ। আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে “যোগাযোগ” আর্টিকেলটি দেখুন, যোগাযোগের বিস্তারিত দেয়া আছে।

নোবিপ্রবির শিক্ষক সমিতির নির্বাচন শুরু

নোবিপ্রবির শিক্ষক সমিতির নির্বাচন শুরু

নোবিপ্রবির শিক্ষক সমিতির নির্বাচন শুরু : নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) শিক্ষক সমিতির নির্বাচন-২০২২ অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে দুই প্রার্থীর ভোট সমান হওয়ায় সাধারণ সম্পাদক পদ শূন্য রেখেই কমিটি ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশনার।

 সোমবার (২৭ ডিসেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী মোহাম্মদ ইদ্রিস অডিটোরিয়ামে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত চলে ভোটগ্রহণ। ভোট কেন্দ্র পরিদর্শন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. দিদার-উল-আলম। পরে বিকালে ভোট গণনা শেষে সন্ধ্যায় শিক্ষকদের উপস্থিতিতে ফলাফল ঘোষণা করেন  প্রধান নির্বাচন কমিশনার ড. এস এম মাহবুবুর রহমান।

 ভোট ১৭৩টি পেয়ে নির্বাচনের মধ্যে সভাপতি পদে জয়ী হয়েছেন শিক্ষক অধ্যাপক ড. নেওয়াজ মোহাম্মদ বাহাদুর তিনি নীল দল সমর্থিত প্রার্থী বিশ্ববিদ্যালয় এর অ্যাপ্লায়েড কেমেস্ট্রি অ্যান্ড কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ এর শিক্ষক ।

 নীল দল সমর্থিত সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের শিক্ষক ড. ফিরোজ আহমেদ এবং ড. মো. আনোয়ারুল বাশার তিনি স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ সমর্থিত প্রার্থী ফার্মেসি বিভাগের  উভয়ই ১১৮ ভোট পেয়েছেন।

 এদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে দুই প্রার্থীর ভোট সংখ্যা সমান হওয়ায় এ পদে বিজয়ীর নাম ঘোষণা করতে পারেনি নির্বাচন কমিশন। ফলাফল ঘোষণার পর সাধারণ সম্পাদক পদের সুরাহা নিয়ে শিক্ষকদের দুই পক্ষের মধ্যে মতানৈক্য দেখা দেয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো সুরাহা মেলেনি।

 নির্বাচনে সহ-সভাপতি পদে জয়ী হয়েছেন যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পদে বাদশা মিয়া,  ড. মো. আবু নছর মিয়া, প্রচার সম্পাদক পদে সৈয়দ মোহাম্মদ সিয়াম,কোষাধ্যক্ষ পদে ড. ফাহদ হুসাইন, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে মারুফ রহমান এবং সদস্য পদের মধ্যে মুহাম্মদ আব্দুস সালাম,মো. মজনুর রহমান,বিপ্লব মল্লিক এবং মো. ছারোয়ার উদ্দিন জয়ী হয়েছেন।

[নোবিপ্রবির শিক্ষক সমিতির নির্বাচন শুরু]

শিক্ষার অন্যান্য খবর সম্পর্কে জানুন:

প্রথম আলো: ঢাবির প্রথম বর্ষের ক্লাস শুরু ১ জানুয়ারি

কিউআইএসআই গুরুকুল সাইটটি ব্যবহার করায় আপনাকে ধন্যবাদ। আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে “যোগাযোগ” আর্টিকেলটি দেখুন, যোগাযোগের বিস্তারিত দেয়া আছে।

৩০ ডিসেম্বর এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ পাবে

৩০ ডিসেম্বর এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ পাবে

আগামী ৩০ ডিসেম্বর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে।  (২৮ ডিসেম্বর)মঙ্গলবার দুপুরের রাজধানীর বিআইসিসি ভবনের মধ্যে এক প্রশিক্ষণ কর্মশালার জন্য এই সমাপনী অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, আগামী ৩০ ডিসেম্বর হতে এসএসসি এবং সমমান পরীক্ষার জন্য ফল প্রকাশ করা হবে। ফল তৈরির জন্য কাজ শেষ, এখন শুধু  প্রকাশ করার অপেক্ষা।

এর আগে ২৭ ডিসেম্বর এই ফল প্রকাশের জন্য তারিখ ধরে নিয়েছিল আন্তঃশিক্ষা বোর্ড। ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর থাকার কারনে আগামী ৩০ ডিসেম্বর ফল প্রকাশ হতে পারে বলে বোর্ড সূত্রের মাধ্যেমে জানা গিয়েছিল।

এ বিষয়ে রোববার আন্তঃশিক্ষা বোর্ড এর চেয়ারম্যান অধ্যাপক নেহাল আহমেদ বলেছিলেন,সার্বিকভাবে আমরা ফল প্রকাশের জন্য প্রস্তুত। প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি থাকলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এর উদ্যোগে যেকোনো দিন তারিখের মধ্যে নির্ধারণ করা যেতে পারে। অনানুষ্ঠানিকভাবে প্রধানমন্ত্রী ৩০ তারিখ এর কথা বলেছেন বলে আমরা জানতে পেরেছি।

তবে ২৮ তারিখ এর পর এই সপ্তাহের যেকোনো দিন ফল প্রকাশ করা হতে পারে বলে তিনি জানিয়েছিলেন ।

করোনা প্রাদুর্ভাবের জন্য নির্ধারিত সময়ের সাড়ে আট মাস পর এবার এসএসসি এবং সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিলো। এবার ২২ লাখের বেশি পরীক্ষার্থী ছিল ।

পরীক্ষা শুরুর আগে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির হতে জানা গিয়েছিলো, পরীক্ষা শেষ হয়েছে তার ৩০ দিন এর  মধ্যে ফলাফল প্রকাশ করা হবে। এই পরীক্ষা শুরু হয়েছিলো ১৪ নভেম্বর শেষ হয়েছিল ২৩ নভেম্বর। সে হিসাবে এক মাস পূর্ণ হয়েছে গত সপ্তাহেই ।

[৩০ ডিসেম্বর এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ পাবে]

শিক্ষার অন্যান্য খবর সম্পর্কে জানুন:

প্রথম আলো: বুটেক্সে ভর্তি শুরু ৩০ ডিসেম্বর

কিউআইএসআই গুরুকুল সাইটটি ব্যবহার করায় আপনাকে ধন্যবাদ। আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে “যোগাযোগ” আর্টিকেলটি দেখুন, যোগাযোগের বিস্তারিত দেয়া আছে।

লটারি না করেও ভর্তি হওয়া যাবে স্কুলে

লটারি না করেও ভর্তি হওয়া যাবে স্কুলে

ডিজিটাল ভর্তি লটারিতে যেসব শিক্ষার্থী সুযোগ পায়নি, এবার তাদেরও ভর্তির সুযোগ দিতে চলেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসন খালি থাকলে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা সেই আসনে ভর্তি হতে পারবে। চলতি সপ্তাহে এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হবে। তবে এ সুযোগ শুধু বেসরকারি বিদ্যালয়ের জন্য। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, এর আগে ডিজিটাল ভর্তি লটারির আগে অনেক অভিভাবক সন্তানের স্কুলে ভর্তি নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছিলেন। এর আগে একাধিক অভিভাবক জানিয়েছিলেন, অনেকে সন্তানের ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন করতে পারেননি। তাদের সন্তানরা এখন কোথায় যাবেন। তবে নতুন এ প্রক্রিয়ায় উন্মুক্তভাবে শিক্ষার্থীরা বেসরকারি বিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি হতে পারবে।

 এ বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক অধ্যাপক সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক দৈনিক আমাদের বার্তাকে বলেন, অনেকে ভর্তি প্রক্রিয়ায় আবেদন করেনি। বিষয়টি আমিও জেনেছি। তবে সব বিদ্যালয়ে ভর্তি শেষ হওয়ার পর সবাইকে সুযোগ দেওয়া হবে।

সব শিক্ষার্থী সুযোগ পাবে কিনা, জানতে চাইলে মাউশি মহাপরিচালক বলেন, সব শিক্ষার্থী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবে। বিষয়টি এমন হয়েছে, অনেকে পছন্দের স্কুলে ভর্তির সুযোগ পায়নি। তার মানে এই না যে, তারা আর কোনো স্কুলেই ভর্তি হতে পারবে না।

দেশে এবারই সরকারি ও বেসরকারি সব বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য অনলাইনে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হয়েছে। প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তির জন্য দুই লাখ ৭৬ হাজার ৬৪১ জন শিক্ষার্থী নির্বাচিত হয়। কেন্দ্রীয় লটারিতে যুক্ত হওয়া সারাদেশের দুই হাজার ৯০৭টি স্কুলে ভর্তির জন্য ৯ লাখ ৪০ হাজার ৮০৭ শূন্য আসনে সাত লাখ ১৪ হাজার ৮২১টি বিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য পছন্দক্রম অনুসারে আবেদন এসেছে। এতে মোট তিন লাখ ৬৮ হাজার ৭০৭ জন শিক্ষার্থী আবেদন করে। এর মধ্যে দুই লাখ ৭৬ হাজার ৬৪১ শিক্ষার্থী বেসরকারি স্কুলের প্রথম থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছে। তবে আবেদন করেও এক লাখ ১০ হাজার শিক্ষার্থী কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পায়নি।

লটারিতে অংশ নিয়েছে এমন স্কুলে এখনও ছয় লাখ ৬৪ হাজার ১৬৬টি শূন্য আসন রয়েছে।

[লটারি না করেও ভর্তি হওয়া যাবে স্কুলে]

শিক্ষার অন্যান্য খবর সম্পর্কে জানুন:

প্রথম আলো: এ বছরে শিক্ষায় যত ঘটনা

কিউআইএসআই গুরুকুল সাইটটি ব্যবহার করায় আপনাকে ধন্যবাদ। আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে “যোগাযোগ” আর্টিকেলটি দেখুন, যোগাযোগের বিস্তারিত দেয়া আছে।

প্রাথমিকের শিক্ষকদের মহাসমাবেশ চলছে ঢাকায়

প্রাথমিকের শিক্ষকদের মহাসমাবেশ চলছে ঢাকায়

প্রাথমিকের শিক্ষকদের মহাসমাবেশ চলছে ঢাকায়

তিন দফা দাবিতে মহাসমাবেশ করছেন জাতীয়করণ হওয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এ কর্মসূচি শুর করেন তারা। জাতীয়কারণকৃত প্রাথমিক শিক্ষক মহাজোটের তত্ত্বাবধানে সমাবেশ হচ্ছে।

 আন্দোলনকারী শিক্ষকরা বলেন, জাতীয়করণ হওয়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টাইমস্কেল দেওয়ার বিধান গেজেটে উল্লেখ থাকলেও ২০২০ সালে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে একটি নির্দেশনা জারির মাধ্যমে সেটি বাতিল করতে বলা হয়। জাতীয়করণ হওয়াতে ৫০ শতাংশ শিক্ষকদেরকে জ্যেষ্ঠতা দেওয়ার জন্য বিধান থাকলেও সেটি অমান্য করা হচ্ছে। পাশাপাশি শিক্ষকদেরকে পদোন্নতি দেওয়া হচ্ছে না।

আন্দোলনকারীরা আরও বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবাদ জানিয়ে আসলেও তাতে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। এ কারণে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী দেশের সব জেলা থেকে ঢাকায় সমাবেশে যোগ দিয়েছেন শিক্ষকরা।তাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা এই আন্দোলন চালিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন।

 শিক্ষকরা বলেন, জাতীয়করণ হওয়া দেশের বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪৮ হাজার ৭২০ জন শিক্ষকের টাইম স্কেলের অর্থ বন্ধ করা যাবে না। এটি শিক্ষকদের নিয়মিত পরিশোধ করতে হবে। এ সংক্রান্ত গত বছরের ১২ অক্টোবরের অর্থ মন্ত্রণালয়ের আদেশ বাতিল করা, প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক জাতীয়করণ-২০১৩ নীতিমালা অনুযায়ী ৫০ শতাংশ শিক্ষককে জ্যেষ্ঠতা দেওয়া ও স্কুল ম্যানেজি কমিটির মাধ্যমে পদোন্নতি পাওয়া প্রধান শিক্ষকদের গেজেটে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি বাস্তবায়ন করতে হবে।

 জানতে চাইলে জাতীয়কারণকৃত প্রাথমিক শিক্ষক মহাজোটের আহ্বায়ক মো. আমিনুল ইসলাম চৌধুরি বলেন, তিন দফা দাবি আদায়ে বিভিন্ন সময়ে আমরা আন্দোলন করলেও তা বাস্তবায়ন করা হয়নি। এ কারণে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী মঙ্গলবার দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে শিক্ষকরা ঢাকায় এসে মহাসমাবেশে যোগ দিয়েছেন।

তিনি বলেন, ভোর থেকে শিক্ষকরা শহীদ মিনারে জড়ো হয়েছেন। সারাদেশ থেকে প্রায় পাঁচ হাজার শিক্ষক একত্রিত হয়েছেন। দিনভর তারা মহাসমাবেশ কার্যক্রম চালিয়ে যাবেন। এখান থেকে পরবর্তীতে অসহযোগ আন্দোলনের ঘোষণা দেওয়া হতে পারে বলেও জানান তিনি।

[প্রাথমিকের শিক্ষকদের মহাসমাবেশ চলছে ঢাকায়]

অন্যান্য খবর সম্পর্কে জানুন:

প্রথম আলো: ইন্টারনেট নিয়ে এই নতুন সিদ্ধান্ত গ্রাহকের ওপর কী প্রভাব ফেলবে

কিউআইএসআই গুরুকুল সাইটটি ব্যবহার করায় আপনাকে ধন্যবাদ। আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে “যোগাযোগ” আর্টিকেলটি দেখুন, যোগাযোগের বিস্তারিত দেয়া আছে।

ইবি শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন ফুটওভারব্রিজ নির্মানের জন্য

ইবি শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন ফুটওভারব্রিজ নির্মানের জন্য

মেইন ফটকের সামনে ফুটওভারব্রিজ নির্মাণসহ তিন দফা দাবিতে মানববন্ধন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সাধারণ শিক্ষার্থীরা। অন্য দাবি গুলো হলো ক্যাম্পাস-ঝিনাইদহ পর্যন্ত দ্রুত মহাসড়ক সংস্কার এবং কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ মহাসড়কে চলাচলকৃত সকল বাসে শিক্ষার্থীদের হাফভাড়া নিশ্চিত করা। 

জানা যায়, সোমবার (২৭ ডিসেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। এসময় সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী জি.কে সাদিক, আরবী ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের আব্দুর রউফ ও রায়হান বাদশা রিপন, উন্নয়ন অধ্যায়ন বিভাগের মেহেদী রাফি ও ফোকলোর স্টাডিজ বিভাগের মাহমুদুল হাসান। কর্মসূচি সঞ্চালণা করেন ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের আজিজুল হক পিয়াস। সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষে এই কর্মসূচিতে একাত্মতা  প্রকাশ করেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র সংগঠন ছাত্র ইউনিয়ন ও ছাত্র মৈত্রী।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে মহাসড়কে তীব্র গতিতে গাড়ি চলাচল করে কিন্তু প্রধান ফটকের সামনে কোন গতিরোধক বা ফুটওভারব্রিজ নেই। যে কোন সময় এখানে একটা বড় দুর্ঘটানা ঘটে যেতে পারে। আমরা আমাদের কোন ভাইকে হারানোর আগেই প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

তারা আরো বলেন, হাফভাড়া শিক্ষার্থীদের প্রতি কোন অনুগ্রহ নয়, এটা আমাদের অধিকার। স্বাধীনতার পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সময়ে শিক্ষার্থীদের হাফভাড়া বহাল ছিলো, এটি নতুন কোন বিষয় নয়।

[ইবি শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন ফুটওভারব্রিজ নির্মানের জন্য]

শিক্ষার অন্যান্য খবর সম্পর্কে জানুন:

প্রথম আলো: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পুরোপুরি ক্লাস কবে, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

কিউআইএসআই গুরুকুল সাইটটি ব্যবহার করায় আপনাকে ধন্যবাদ। আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে “যোগাযোগ” আর্টিকেলটি দেখুন, যোগাযোগের বিস্তারিত দেয়া আছে।

‘জ্ঞানের আলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে ছড়ানো বেশি জরুরি’

লটারি না করেও ভর্তি হওয়া যাবে স্কুলে

‘জ্ঞানের আলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে ছড়ানো বেশি জরুরি’

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. মো. মশিউর রহমান বলেন, যেকোনো প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়ন অপরিহার্য। তবে মনে রাখতে হবে, অবকাঠামোগত উন্নয়নের সৌন্দর্য ও স্থায়িত্ব এক পর্যায়ে মলিন হয়ে আসে। কিন্তু শিক্ষার্থীদের যদি জ্ঞানের আলোয় গড়ে তোলা সম্ভব হয়, তবে তা অবকাঠামোগত উন্নয়নের তুলনায় বহুগুণ বেশি প্রভাব বিস্তারকারী ভূমিকা পালন করে। এ কারণে শিক্ষার্থীদের গভীর মনোযোগী হয়ে নিয়মিত অধ্যয়ন করতে হবে। পড়াশোনায় মনোযোগিতা আরো বাড়াতে হবে। অপরদিকে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে পড়াশোনায় নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করতে হবে। এর মধ্যদিয়েই মুক্তিযোদ্ধা, বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশের মান সমুন্নত রাখা যাবে। 

রোববার (২৬ ডিসেম্বর) রাজধানীর দনিয়া কলেজে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। 

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে ভিসি ড. মশিউর রহমান বলেন, স্বাধীনতা ও বঙ্গবন্ধু এই দুটি শব্দ অবিচ্ছেদ্য। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠায় যে আপষহীন সংগ্রাম ও লড়াই করেছেন, সেটি শুধু স্বাধীনতা সংগ্রামে বিজয়ী নয়, বরং বাঙালির মধ্যে বীরত্বগাথার এক আত্মবিশ্বাস তৈরি করে দিয়েছেন। আমাদের বর্তমান প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের সেই আত্মবিশ্বাস নিয়েই বিশ্ব নাগরিক হয়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। আর বিশ্ব নাগরিক হতে হলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে যৌক্তিক চিন্তা, বিজ্ঞানসম্মত ভাবনা, বিজ্ঞান চর্চা এবং একইসঙ্গে শিল্প, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক চর্চায় অভ্যাস্ত হতে হবে। তাহলে শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে দেশের সুনাগরিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলেতে পারবে। তাহলে তাদের থেকে নতুনরাও অনুপ্রাণিত হবে। 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, আমাদের সৌভাগ্য যে আমাদের রাষ্ট্রপরিচালনার দায়িত্ব এখন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার ওপর ন্যস্ত। তিনি সর্বদা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মঙ্গলের কথা, একটি উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা এবং বিশ্ব দরবারে একটি মানবিক বাংলাদেশ হিসেবে আত্মমর্যাদা লাভ করার লক্ষ্য নিয়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। আমাদের প্রয়োজন প্রতিটি সময়কে অর্থবহ করে ব্যয় করা। তাহলে আমরা কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছতে পারবো। 

কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সাবেক সিনিয়র সচিব ড. মোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বাগেরহাট- ৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আমিরুল ইসলাম মিলন, আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি কামরুল হাসান রিপন। 

[‘জ্ঞানের আলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে ছড়ানো বেশি জরুরি’]

শিক্ষার অন্যান্য খবর সম্পর্কে জানুন:

প্রথম আলো: কী শিক্ষা পাচ্ছে নতুন প্রজন্ম?

কিউআইএসআই গুরুকুল সাইটটি ব্যবহার করায় আপনাকে ধন্যবাদ। আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে “যোগাযোগ” আর্টিকেলটি দেখুন, যোগাযোগের বিস্তারিত দেয়া আছে।

‘হাসান আজিজুল হক গ্রন্থাগার’ নামকরণের দাবি করেছে রাবির লাইব্রেরিকে

‘হাসান আজিজুল হক গ্রন্থাগার’ নামকরণের দাবি করেছে রাবির লাইব্রেরিকে

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিকে ‘অধ্যাপক হাসান আজিজুল হক কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার’ নামকরণের দাবি জানানো হয়েছে।

সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ সিনেট ভবনে হাসান আজিজুল হক স্মরণে আয়োজিত এক শোকসভায় এ দাবি জানান দর্শন বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক শামীমা আক্তার।

তিনি বলেন, অধ্যাপক হাসান আজিজুল হক রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় তথা দেশবাসীর গর্ব। তার সৃষ্টিশীল শিল্পকর্ম এই বিশ্ববিদ্যালয়কে গর্বিত করেছে। মৃত্যুর পর কেন্দ্রীয় লাইব্রেরীর পাশে মরহুমের সমাহিত করার সিদ্ধান্ত নেয়ায় দর্শন বিভাগ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞ। একই সঙ্গে দর্শন বিভাগের পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরীর নাম ‘অধ্যাপক হাসান আজিজুল হক কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার’ নামকরণের দাবি জানাচ্ছি।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক গোলাম সাব্বির সাত্তার বলেন, একজন মানবিক মানুষ কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক। হাসান আজিজুল হকের মতো মানুষরা কখনো মারা যেতে পারে না। তিনি সবার হৃদয়ে রয়েছেন। তার মতো মানুষরা জাতির জন্য অনুপ্রেরণা। কেননা তিনি সর্বদা প্রান্তিক ও মজলুম মানুষের পাশে ছিলেন। মজলুম মানুষের জন্য সর্বদা তার লেখনি জারি ছিল। মহান এই মানুষটির জন্য স্মরণে শোকসভার আয়োজন করায় দর্শন বিভাগ এর প্রতি বিশেষভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন ভিসি।

দর্শন বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. মহেন্দ্রনাথ অধিকারী বলেন, সংগ্রামী একজন মানুষ ছিলেন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক। সর্বদা তার অপ্রতিরোধ্য কলম জেগে উঠতো অন্যায় ও জুলুমের বিরুদ্ধে। সমাজ পরিবর্তনের অপ্রতিরোধ্য এই কথাসাহিত্যিক আজ আর নেই। তার অনুপস্থিত অনেক কষ্টের। তবে তিনি থাকবেন আমাদের হৃদয়ে এক মহান মানুষ হিসেবে।

 কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হকের পুত্র প্রাণ রসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ হাসান বলেন, বাবা অত্যন্ত সময় সচেতন মানুষ ছিলেন। তিনি শিক্ষকতার পাশাপাশি অধ্যাপনা ও সংস্কৃতির চর্চা করতেন। তিনি অত্যন্ত সাধারণ জীবন অতিবাহিত করেছেন। তার জীবনে ইহজাগতিক তেমন কোনো চাওয়া প্রাধান্য পায়নি। তিনি সর্বদা মানুষের সংস্পর্শে থাকতে পছন্দ করতেন। দর্শন বিভাগ ছিল বাবার কাছে পরিবারের মতো। বাবার স্মরণে দর্শন বিভাগের এমন আয়োজনে বিশেষ কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।

দর্শন বিভাগ এর শামীমা আক্তার তিনি তার সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য দেন প্রো-ভিসি অধ্যাপক চৌধুরি মো. জাকারিয়া এবং অধ্যাপক সুলতান-উল-ইসলাম, দর্শন বিভাগের অধ্যাপক জুলফিকার মতিন, সুব্রত মজুমদার, ড. আক্তার আলী প্রমূখ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন দর্শন বিভাগ এর শিক্ষক তাসনিম নাজিরা রিদা।

[‘হাসান আজিজুল হক গ্রন্থাগার’ নামকরণের দাবি করেছে রাবির লাইব্রেরিকে]

শিক্ষার অন্যান্য খবর সম্পর্কে জানুন:

প্রথম আলো: এসএসসির ফল ২৮ থেকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে

Know more about handmadechoice.com

কিউআইএসআই গুরুকুল সাইটটি ব্যবহার করায় আপনাকে ধন্যবাদ। আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে “যোগাযোগ” আর্টিকেলটি দেখুন, যোগাযোগের বিস্তারিত দেয়া আছে।

শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের প্রীতি ক্রিকেট খেলা অনুষ্ঠিত হলো ড্যাফোডিলে

ড্যাফোডিলে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের প্রীতি ক্রিকেট

শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের প্রীতি ক্রিকেট খেলা অনুষ্ঠিত হলো ড্যাফোডিলে

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ফার্মেসি  বিভাগে উদ্যোগে সোমবার (২৭ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হয়েছে গেল আন্তঃবিভাগীয় ক্রিকেট ম্যাচ টিচার্স বনাম স্টুডেন্ট । 

উক্ত ম্যাচে ফার্মেসি ডিপার্টমেন্টের শিক্ষক ও শেষ বর্ষের ছাত্রছাত্রীরা প্রীতি ম্যাচটি খেলেন।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ডিপার্টমেন্টের এসোসিয়েট  প্রফেসর ড. শরিফা সুলতানা ও ড. শরিফুর রহমান। 

বিশেষ অতিথি ছিলেন ফার্মেসি বিভাগের এসিস্ট্যান্ট   প্রফেসর ড. মফিজুর রহমান, একে আজাদ ও ড. সারোয়ার রহমান। এছাড়াও উপস্তিত ছিলেন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। 

শুরুতে ম্যাচে টসে জিতে টিচার্স টিম এর ক্যাপ্টেন পল্লব আহমেদ প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। টিচার্স টিম ব্যাটিংয়ে নেমে ৯ উইকেটের বিনিময়ে সর্বমোট ১৯৭ রান সংগ্রহ করে। 

জবাবে ব্যাট করতে নেমে ১৯৮ রানের টার্গেট নিয়ে শিক্ষার্থীদের দল ৫ উইকেটেই জয়ের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েও জিততে পারেনি। শেষ বলে ৫ রান প্রয়োজন ছিলো।

শিক্ষার্থীদের টিমের ব্যাটার রাসেদ হাসান চার রান নিতে সক্ষম হয় এবং ম্যাচটি ড্র হয়। ম্যাচে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহ করেন পল্লব আহমেদ (৪৩) এবং তিনি ম্যান অব দ্যা ম্যাচ নির্বাচিত হয়। 

উক্ত অনুষ্ঠানে ডিপার্টমেন্টের এসোসিয়েট প্রফেসর ড. শফিকুর রহমান বলেন, খেলাধুলা মেধা বিকাশের একটি অন্যতম মাধ্যম, পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলার গুরুত্ব অপরিসীম। এই জন্য ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চা বাড়ানোর আহবান জানান তিনি।

আরেকজন এসোসিয়েট প্রফেসর ড.শরিফা সুলতানা বলেন, ফার্মেসি ডিপার্টমেন্ট সবসময় একটি পরিবারের মত। আজকের এই ক্রিকেট খেলার মাধ্যমেও তার প্রতিফলন ঘটেছে। ভবিষ্যতে এরকম আরও প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ আয়োজন করা হবে।

শেষ বর্ষের শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে টিচারদের সবাইকে ধন্যবাদ দেওয়া৷ হয় এরকম একটা সুন্দর খেলা আয়োজন করার জন্য।

উল্লেখ্যঃ পুরো ক্রিকেট টুর্নামেন্ট আয়োজনের দায়িত্বে ছিলেন বিভাগের শিক্ষক মো. পল্লব আহমেদ,  ড. মো. শফিকুর রহমান ও ড. শরিফা সুলতানা।

[শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের প্রীতি ক্রিকেট খেলা অনুষ্ঠিত হলো ড্যাফোডিলে]

শিক্ষার অন্যান্য খবর সম্পর্কে জানুন:

প্রথম আলো: ঢাবি শিক্ষকদের জন্য শাটল বাস চালু

কিউআইএসআই গুরুকুল সাইটটি ব্যবহার করায় আপনাকে ধন্যবাদ। আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে “যোগাযোগ” আর্টিকেলটি দেখুন, যোগাযোগের বিস্তারিত দেয়া আছে।

শিক্ষকরা মানছেন না অনলাইন ক্লাসের নীতিমালা

শিক্ষকরা মানছেন না অনলাইন ক্লাসের নীতিমালা

শিক্ষকরা মানছেন না অনলাইন ক্লাসের নীতিমালা

করোনায় অনলাইন ক্লাসের ভিডিও সরবরাহ, ক্যাম্পাস খোলার পর ন্যুনতম দুই সপ্তাহ সশরীরে ক্লাস, সশরীরে ল্যাব ক্লাস ও ক্লাসে উপস্থিতির পরিবর্তে ক্লাস পারফরম্যান্স অনুযায়ী নম্বর প্রদানের সিদ্ধান্ত হলেও এই নিয়ম মানছেন না জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। 

পরিসংখ্যান বিভাগ নিয়ম অমান্য করে মাস্টার্স শেষ বর্ষের শিক্ষার্থীদের ক্লাসে উপস্থিতির ওপর নম্বর প্রদান করছেন। এ নম্বর পরীক্ষার ফলাফলের সাথে যোগ হওয়ায় চূড়ান্ত ফলাফলের প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন তারা। এছাড়াও বেশিরভাগ শিক্ষক নিজেদের অনলাইন ক্লাসের কোনো ভিডিও শিক্ষার্থীদের সরবরাহ করছেন না। রসায়ন বিভাগ সশরীরে ক্লাস ও ল্যাব না নিয়েই সেমিস্টার পরীক্ষা নিচ্ছেন। এতে করে নির্ধারিত কোর্স সর্ম্পকে নূন্যতম ধারণা ছাড়াই সেমিস্টার শেষ করছেন শিক্ষার্থীরা।

জানা যায়, গত বছরের ৩ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে এক বিজ্ঞপ্তি মাধ্যমে অনলাইনে শিক্ষার্থীদের ক্লাস নেয়ার কথা জানানো হয়। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অনলাইন ক্লাসের ভিডিও ইউটিউব ও ফেসবুকে আপলোড করতে হবে যেন শিক্ষার্থী যেকোনো সময় তা দেখতে পারে। মিডটার্ম বা কোনও পরীক্ষা অনলাইনে নেওয়া যাবে না। তবে অ্যাসাইনমেন্ট অনলাইনে নেওয়া যাবে। 

ব্যবহারিক ক্লাসের বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ক্যাম্পাসে ক্লাস শুরু হলে ৩ সপ্তাহ সময় দেওয়া হবে, সে সময় ব্যবহারিক ক্লাস হবে। এরপর একসাথে অনুষ্ঠিত হবে দুটি সেমিস্টারের ফাইনাল পরীক্ষা।শিক্ষার্থীদেরকে থিসিস জমা এবং ইন্টার্নশিপের বিষয়ের সকল সংশ্লিষ্ট বিভাগ এর চেয়ারম্যান একাডেমিক কমিটি এর মাধ্যমে ব্যবস্থা নেবে বলে জানানো হয়।

ওই সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন ভিসি ড. মীজানুর রহমান শিক্ষার্থীদের ক্লাসের উপস্থিতির পরিবর্তে ক্লাস পারফরম্যান্স অনুযায়ী নম্বর প্রদানের কথা জানান। তৎকালীন বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির জরিপ অনুযায়ী শতকরা ৭২ শতাংশ শিক্ষার্থী অনলাইন ক্লাসের বাইরে ছিলেন।

এবিষয়ে পরিসংখ্যান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের একাধিক শিক্ষার্থী বলেন, অনলাইনে ক্লাস করার মতো শক্তিশালী নেটওয়ার্ক আমাদের অনেকের বাড়িতে ছিলো না। মাঝে মধ্যে কয়েক কিলোমিটার দূরে গিয়ে অনেকে ক্লাস করেছে। ক্যাম্পাস খোলা থাকাকালীন যারা উপস্থিতির ওপর প্রায়ই পুরো নম্বর পেতো তারা এখন অনলাইনে ক্লাস না করতে পারায় নম্বর কম পাচ্ছে। অনেকে এক, দুই করেও পেয়েছে। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশির ভাগ শিক্ষার্থী নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারে সন্তান। প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাসকারী এসব শিক্ষার্থীদের পক্ষে উচ্চমূল্যে ইন্টারনেট কিনে ক্লাস করা সম্ভব হয়না। সেখানে অনলাইন ক্লাসের ওপর মার্কিং করে তাদেরকে বঞ্চিত করা হবে। অনলাইন ক্লাস এর শুরুতে আমরা জেনেছিলাম ক্লাস উপস্থিতির উপর কোনো ধরনের নম্বর থাকবে না। তা এখন করা হচ্ছে। আামদের রেজাল্টের উপর এটি প্রভাব ফেলবে।

পরিসংখ্যান বিভাগের বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শেখ গিয়াস উদ্দীন প্রযুক্তিগত সমস্যার কথা মানতে নারাজ। তিনি বলেন, এ ব্যাপারে নির্দিষ্ট কোন নির্দেশনা নেই কেউ যদি ক্লাসে উপস্থিত না থাকতে পারে তাহলে তাকে নম্বর কিভাবে দিবো? 

রসায়ন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শামছুন নাহার বলেন, আমরা চাচ্ছি শিক্ষার্থীরা করোনার কারণে যে ক্ষতির মুখোমুখি হয়েছে তা যেন দ্রুত পুষিয়ে উঠতে পারে। ল্যাব ক্লাসগুলো সশরীরে নেয়া হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের বলেছি থিওরী ক্লাস নিয়ে কোনো সমস্যা হলে সংশ্লিষ্ট কোর্সের শিক্ষকের সাথে কথা বলতে। শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা তাদের সুবিধামত ক্লাসের পন্থা ঠিক করবে। 

সমাজকর্ম বিভাগ আর  বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর শিক্ষক সমিতি এর সভাপতি এরঅধ্যাপক ড. আবুল হোসেন বলেন, অনলাইন ক্লাস শুরুর সময়ে একটি নীতিমালা হয়েছিলো, সেটা অনেকেই এখন মানছেন না। তবে যে সকল বিভাগের শিক্ষার্থীরা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে, বিভাগের চেয়ারম্যানের কাছে গেলেই সেটা সমাধান হওয়ার কথা। এরপরও যদি কোনো সমস্যার সমাধান না হয় উপাচার্য আছেন। ওনার নজরে আনলে তিনি ব্যবস্থা নিবেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. ইমদাদুল হকের কাছে জানাতে চাওয়া হলে, তিনি পরবর্তীতে এসব বিষয় নিয়ে কথা বলবেন জানিয়ে মুঠোফোন রেখে দেন।

[শিক্ষকরা মানছেন না অনলাইন ক্লাসের নীতিমালা]

শিক্ষার অন্যান্য খবর সম্পর্কে জানুন:

প্রথম আলো: ১৫ বার চেষ্টার পর আমাজনে চাকরি পেলেন জাবির ফারুক

কিউআইএসআই গুরুকুল সাইটটি ব্যবহার করায় আপনাকে ধন্যবাদ। আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে “যোগাযোগ” আর্টিকেলটি দেখুন, যোগাযোগের বিস্তারিত দেয়া আছে।