‘জ্ঞানের আলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে ছড়ানো বেশি জরুরি’

লটারি না করেও ভর্তি হওয়া যাবে স্কুলে

‘জ্ঞানের আলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে ছড়ানো বেশি জরুরি’

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. মো. মশিউর রহমান বলেন, যেকোনো প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়ন অপরিহার্য। তবে মনে রাখতে হবে, অবকাঠামোগত উন্নয়নের সৌন্দর্য ও স্থায়িত্ব এক পর্যায়ে মলিন হয়ে আসে। কিন্তু শিক্ষার্থীদের যদি জ্ঞানের আলোয় গড়ে তোলা সম্ভব হয়, তবে তা অবকাঠামোগত উন্নয়নের তুলনায় বহুগুণ বেশি প্রভাব বিস্তারকারী ভূমিকা পালন করে। এ কারণে শিক্ষার্থীদের গভীর মনোযোগী হয়ে নিয়মিত অধ্যয়ন করতে হবে। পড়াশোনায় মনোযোগিতা আরো বাড়াতে হবে। অপরদিকে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে পড়াশোনায় নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করতে হবে। এর মধ্যদিয়েই মুক্তিযোদ্ধা, বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশের মান সমুন্নত রাখা যাবে। 

রোববার (২৬ ডিসেম্বর) রাজধানীর দনিয়া কলেজে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। 

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে ভিসি ড. মশিউর রহমান বলেন, স্বাধীনতা ও বঙ্গবন্ধু এই দুটি শব্দ অবিচ্ছেদ্য। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠায় যে আপষহীন সংগ্রাম ও লড়াই করেছেন, সেটি শুধু স্বাধীনতা সংগ্রামে বিজয়ী নয়, বরং বাঙালির মধ্যে বীরত্বগাথার এক আত্মবিশ্বাস তৈরি করে দিয়েছেন। আমাদের বর্তমান প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের সেই আত্মবিশ্বাস নিয়েই বিশ্ব নাগরিক হয়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। আর বিশ্ব নাগরিক হতে হলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে যৌক্তিক চিন্তা, বিজ্ঞানসম্মত ভাবনা, বিজ্ঞান চর্চা এবং একইসঙ্গে শিল্প, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক চর্চায় অভ্যাস্ত হতে হবে। তাহলে শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে দেশের সুনাগরিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলেতে পারবে। তাহলে তাদের থেকে নতুনরাও অনুপ্রাণিত হবে। 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, আমাদের সৌভাগ্য যে আমাদের রাষ্ট্রপরিচালনার দায়িত্ব এখন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার ওপর ন্যস্ত। তিনি সর্বদা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মঙ্গলের কথা, একটি উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা এবং বিশ্ব দরবারে একটি মানবিক বাংলাদেশ হিসেবে আত্মমর্যাদা লাভ করার লক্ষ্য নিয়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। আমাদের প্রয়োজন প্রতিটি সময়কে অর্থবহ করে ব্যয় করা। তাহলে আমরা কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছতে পারবো। 

কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সাবেক সিনিয়র সচিব ড. মোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বাগেরহাট- ৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আমিরুল ইসলাম মিলন, আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি কামরুল হাসান রিপন। 

[‘জ্ঞানের আলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে ছড়ানো বেশি জরুরি’]

শিক্ষার অন্যান্য খবর সম্পর্কে জানুন:

প্রথম আলো: কী শিক্ষা পাচ্ছে নতুন প্রজন্ম?

কিউআইএসআই গুরুকুল সাইটটি ব্যবহার করায় আপনাকে ধন্যবাদ। আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে “যোগাযোগ” আর্টিকেলটি দেখুন, যোগাযোগের বিস্তারিত দেয়া আছে।

শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের প্রীতি ক্রিকেট খেলা অনুষ্ঠিত হলো ড্যাফোডিলে

ড্যাফোডিলে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের প্রীতি ক্রিকেট

শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের প্রীতি ক্রিকেট খেলা অনুষ্ঠিত হলো ড্যাফোডিলে

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ফার্মেসি  বিভাগে উদ্যোগে সোমবার (২৭ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হয়েছে গেল আন্তঃবিভাগীয় ক্রিকেট ম্যাচ টিচার্স বনাম স্টুডেন্ট । 

উক্ত ম্যাচে ফার্মেসি ডিপার্টমেন্টের শিক্ষক ও শেষ বর্ষের ছাত্রছাত্রীরা প্রীতি ম্যাচটি খেলেন।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ডিপার্টমেন্টের এসোসিয়েট  প্রফেসর ড. শরিফা সুলতানা ও ড. শরিফুর রহমান। 

বিশেষ অতিথি ছিলেন ফার্মেসি বিভাগের এসিস্ট্যান্ট   প্রফেসর ড. মফিজুর রহমান, একে আজাদ ও ড. সারোয়ার রহমান। এছাড়াও উপস্তিত ছিলেন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। 

শুরুতে ম্যাচে টসে জিতে টিচার্স টিম এর ক্যাপ্টেন পল্লব আহমেদ প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। টিচার্স টিম ব্যাটিংয়ে নেমে ৯ উইকেটের বিনিময়ে সর্বমোট ১৯৭ রান সংগ্রহ করে। 

জবাবে ব্যাট করতে নেমে ১৯৮ রানের টার্গেট নিয়ে শিক্ষার্থীদের দল ৫ উইকেটেই জয়ের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েও জিততে পারেনি। শেষ বলে ৫ রান প্রয়োজন ছিলো।

শিক্ষার্থীদের টিমের ব্যাটার রাসেদ হাসান চার রান নিতে সক্ষম হয় এবং ম্যাচটি ড্র হয়। ম্যাচে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহ করেন পল্লব আহমেদ (৪৩) এবং তিনি ম্যান অব দ্যা ম্যাচ নির্বাচিত হয়। 

উক্ত অনুষ্ঠানে ডিপার্টমেন্টের এসোসিয়েট প্রফেসর ড. শফিকুর রহমান বলেন, খেলাধুলা মেধা বিকাশের একটি অন্যতম মাধ্যম, পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলার গুরুত্ব অপরিসীম। এই জন্য ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চা বাড়ানোর আহবান জানান তিনি।

আরেকজন এসোসিয়েট প্রফেসর ড.শরিফা সুলতানা বলেন, ফার্মেসি ডিপার্টমেন্ট সবসময় একটি পরিবারের মত। আজকের এই ক্রিকেট খেলার মাধ্যমেও তার প্রতিফলন ঘটেছে। ভবিষ্যতে এরকম আরও প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ আয়োজন করা হবে।

শেষ বর্ষের শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে টিচারদের সবাইকে ধন্যবাদ দেওয়া৷ হয় এরকম একটা সুন্দর খেলা আয়োজন করার জন্য।

উল্লেখ্যঃ পুরো ক্রিকেট টুর্নামেন্ট আয়োজনের দায়িত্বে ছিলেন বিভাগের শিক্ষক মো. পল্লব আহমেদ,  ড. মো. শফিকুর রহমান ও ড. শরিফা সুলতানা।

[শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের প্রীতি ক্রিকেট খেলা অনুষ্ঠিত হলো ড্যাফোডিলে]

শিক্ষার অন্যান্য খবর সম্পর্কে জানুন:

প্রথম আলো: ঢাবি শিক্ষকদের জন্য শাটল বাস চালু

কিউআইএসআই গুরুকুল সাইটটি ব্যবহার করায় আপনাকে ধন্যবাদ। আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে “যোগাযোগ” আর্টিকেলটি দেখুন, যোগাযোগের বিস্তারিত দেয়া আছে।

শিক্ষকরা মানছেন না অনলাইন ক্লাসের নীতিমালা

শিক্ষকরা মানছেন না অনলাইন ক্লাসের নীতিমালা

শিক্ষকরা মানছেন না অনলাইন ক্লাসের নীতিমালা

করোনায় অনলাইন ক্লাসের ভিডিও সরবরাহ, ক্যাম্পাস খোলার পর ন্যুনতম দুই সপ্তাহ সশরীরে ক্লাস, সশরীরে ল্যাব ক্লাস ও ক্লাসে উপস্থিতির পরিবর্তে ক্লাস পারফরম্যান্স অনুযায়ী নম্বর প্রদানের সিদ্ধান্ত হলেও এই নিয়ম মানছেন না জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। 

পরিসংখ্যান বিভাগ নিয়ম অমান্য করে মাস্টার্স শেষ বর্ষের শিক্ষার্থীদের ক্লাসে উপস্থিতির ওপর নম্বর প্রদান করছেন। এ নম্বর পরীক্ষার ফলাফলের সাথে যোগ হওয়ায় চূড়ান্ত ফলাফলের প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন তারা। এছাড়াও বেশিরভাগ শিক্ষক নিজেদের অনলাইন ক্লাসের কোনো ভিডিও শিক্ষার্থীদের সরবরাহ করছেন না। রসায়ন বিভাগ সশরীরে ক্লাস ও ল্যাব না নিয়েই সেমিস্টার পরীক্ষা নিচ্ছেন। এতে করে নির্ধারিত কোর্স সর্ম্পকে নূন্যতম ধারণা ছাড়াই সেমিস্টার শেষ করছেন শিক্ষার্থীরা।

জানা যায়, গত বছরের ৩ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে এক বিজ্ঞপ্তি মাধ্যমে অনলাইনে শিক্ষার্থীদের ক্লাস নেয়ার কথা জানানো হয়। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অনলাইন ক্লাসের ভিডিও ইউটিউব ও ফেসবুকে আপলোড করতে হবে যেন শিক্ষার্থী যেকোনো সময় তা দেখতে পারে। মিডটার্ম বা কোনও পরীক্ষা অনলাইনে নেওয়া যাবে না। তবে অ্যাসাইনমেন্ট অনলাইনে নেওয়া যাবে। 

ব্যবহারিক ক্লাসের বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ক্যাম্পাসে ক্লাস শুরু হলে ৩ সপ্তাহ সময় দেওয়া হবে, সে সময় ব্যবহারিক ক্লাস হবে। এরপর একসাথে অনুষ্ঠিত হবে দুটি সেমিস্টারের ফাইনাল পরীক্ষা।শিক্ষার্থীদেরকে থিসিস জমা এবং ইন্টার্নশিপের বিষয়ের সকল সংশ্লিষ্ট বিভাগ এর চেয়ারম্যান একাডেমিক কমিটি এর মাধ্যমে ব্যবস্থা নেবে বলে জানানো হয়।

ওই সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন ভিসি ড. মীজানুর রহমান শিক্ষার্থীদের ক্লাসের উপস্থিতির পরিবর্তে ক্লাস পারফরম্যান্স অনুযায়ী নম্বর প্রদানের কথা জানান। তৎকালীন বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির জরিপ অনুযায়ী শতকরা ৭২ শতাংশ শিক্ষার্থী অনলাইন ক্লাসের বাইরে ছিলেন।

এবিষয়ে পরিসংখ্যান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের একাধিক শিক্ষার্থী বলেন, অনলাইনে ক্লাস করার মতো শক্তিশালী নেটওয়ার্ক আমাদের অনেকের বাড়িতে ছিলো না। মাঝে মধ্যে কয়েক কিলোমিটার দূরে গিয়ে অনেকে ক্লাস করেছে। ক্যাম্পাস খোলা থাকাকালীন যারা উপস্থিতির ওপর প্রায়ই পুরো নম্বর পেতো তারা এখন অনলাইনে ক্লাস না করতে পারায় নম্বর কম পাচ্ছে। অনেকে এক, দুই করেও পেয়েছে। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশির ভাগ শিক্ষার্থী নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারে সন্তান। প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাসকারী এসব শিক্ষার্থীদের পক্ষে উচ্চমূল্যে ইন্টারনেট কিনে ক্লাস করা সম্ভব হয়না। সেখানে অনলাইন ক্লাসের ওপর মার্কিং করে তাদেরকে বঞ্চিত করা হবে। অনলাইন ক্লাস এর শুরুতে আমরা জেনেছিলাম ক্লাস উপস্থিতির উপর কোনো ধরনের নম্বর থাকবে না। তা এখন করা হচ্ছে। আামদের রেজাল্টের উপর এটি প্রভাব ফেলবে।

পরিসংখ্যান বিভাগের বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শেখ গিয়াস উদ্দীন প্রযুক্তিগত সমস্যার কথা মানতে নারাজ। তিনি বলেন, এ ব্যাপারে নির্দিষ্ট কোন নির্দেশনা নেই কেউ যদি ক্লাসে উপস্থিত না থাকতে পারে তাহলে তাকে নম্বর কিভাবে দিবো? 

রসায়ন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শামছুন নাহার বলেন, আমরা চাচ্ছি শিক্ষার্থীরা করোনার কারণে যে ক্ষতির মুখোমুখি হয়েছে তা যেন দ্রুত পুষিয়ে উঠতে পারে। ল্যাব ক্লাসগুলো সশরীরে নেয়া হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের বলেছি থিওরী ক্লাস নিয়ে কোনো সমস্যা হলে সংশ্লিষ্ট কোর্সের শিক্ষকের সাথে কথা বলতে। শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা তাদের সুবিধামত ক্লাসের পন্থা ঠিক করবে। 

সমাজকর্ম বিভাগ আর  বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর শিক্ষক সমিতি এর সভাপতি এরঅধ্যাপক ড. আবুল হোসেন বলেন, অনলাইন ক্লাস শুরুর সময়ে একটি নীতিমালা হয়েছিলো, সেটা অনেকেই এখন মানছেন না। তবে যে সকল বিভাগের শিক্ষার্থীরা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে, বিভাগের চেয়ারম্যানের কাছে গেলেই সেটা সমাধান হওয়ার কথা। এরপরও যদি কোনো সমস্যার সমাধান না হয় উপাচার্য আছেন। ওনার নজরে আনলে তিনি ব্যবস্থা নিবেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. ইমদাদুল হকের কাছে জানাতে চাওয়া হলে, তিনি পরবর্তীতে এসব বিষয় নিয়ে কথা বলবেন জানিয়ে মুঠোফোন রেখে দেন।

[শিক্ষকরা মানছেন না অনলাইন ক্লাসের নীতিমালা]

শিক্ষার অন্যান্য খবর সম্পর্কে জানুন:

প্রথম আলো: ১৫ বার চেষ্টার পর আমাজনে চাকরি পেলেন জাবির ফারুক

কিউআইএসআই গুরুকুল সাইটটি ব্যবহার করায় আপনাকে ধন্যবাদ। আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে “যোগাযোগ” আর্টিকেলটি দেখুন, যোগাযোগের বিস্তারিত দেয়া আছে।

২৬ ডিসেম্বর হতে শুরু মাস্টার্স শেষ পর্ব পরীক্ষার আবেদন ফরম পূরণ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এর অনার্স চতুর্থ বর্ষের পরীক্ষা শুরু কাল

২৬ ডিসেম্বর হতে শুরু মাস্টার্স শেষ পর্ব পরীক্ষার আবেদন ফরম পূরণ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন ২০১৯ সালের এমএ/এমএসএস/এমবিএ/এমএসসি/এম মিউজ শেষ পর্ব (আইসিটিসহ) পরীক্ষার আবেদন ফরম পূরণ শুরু হচ্ছে ২৬ ডিসেম্বর থেকে। চলবে ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। এ–সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম অনলাইনে সম্পন্ন হবে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পরীক্ষার আবেদন ফরম, বিবরণী ফরম পূরণ ও জমার তারিখসহ বিস্তারিত তথ্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্স শেষ পর্ব পরীক্ষাবিষয়ক ওয়েবসাইটেও মিলবে বিস্তারিত তথ্য।  

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন ২০২০ সালের ডিগ্রি পাস ও সার্টিফিকেট কোর্স প্রথম বর্ষ পরীক্ষার সময় পরিবর্তন করা হয়েছে। ৩০ ডিসেম্বর থেকে ২৯ জানুয়ারি পর্যন্ত এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। অনিবার্য কারণে পরীক্ষাগুলো বেলা ১টার পরিবর্তে ১টা ৩০ মিনিট থেকে শুরু হবে।

[২৬ ডিসেম্বর হতে শুরু মাস্টার্স শেষ পর্ব পরীক্ষার আবেদন ফরম পূরণ ]

কিউআইএসআই গুরুকুল সাইটটি ব্যবহার করায় আপনাকে ধন্যবাদ। আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে “যোগাযোগ” আর্টিকেলটি দেখুন, যোগাযোগের বিস্তারিত দেয়া আছে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্বল্প পরিসরে ক্লাস হবে মার্চ পর্যন্ত : শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্বল্প পরিসরে ক্লাস হবে মার্চ পর্যন্ত : শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্বল্প পরিসরে ক্লাস হবে মার্চ পর্যন্ত : শিক্ষামন্ত্রী

নতুন শিক্ষাবর্ষের প্রথম থেকেই পুরোপুরি শ্রেণি কার্যক্রম শুরু হলেও আগের মতোই স্বল্প পরিসরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান করানো হবে। আগামী মার্চ পর্যন্ত যদি সংক্রমণ আর না বাড়ে, তারপর থেকে স্বাভাবিকভাবে কার্যক্রম চলতে পারে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

 বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় রাজধানীর মাতুয়াইলের পাঠ্যপুস্তক ছাপাখানায় কাজের অগ্রগতি পরিদর্শনকালে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা জানান।

 শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আগামী বছর থেকে প্রথম থেকে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পাইলটিং কার্যক্রম হিসেবে নতুন কারিকুলাম শুরু করা হবে। এজন্য সারাদেশের ১০০টি স্কুলে এ কার্যক্রম শুরুর সিদ্ধান্ত থাকলেও সেটি কমিয়ে ৬০টি স্কুল নির্বাচন করা হয়েছে। ওই প্রতিষ্ঠানগুলোতে নতুন কারিকুলাম পড়ানো হবে।

 তিনি বলেছেন, ‘সব শিক্ষার্থী ভর্তি না হওয়া পর্যন্ত নতুন কারিকুলামের মধ্যে পড়ানো সম্ভব নয়। এই কারণে আগামী ফেব্রুয়ারি হতে তাদের শিক্ষাবর্ষ শুরু করা হবে। নতুন কারিকুলামের বাংলাদেশ এর আর্থ-সামাজিক এবং ভৌগোলিক সব বিষয় যুক্ত করা হয়েছে।’

 ডা. দীপু মনি বলেন, ‘করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন পরিস্থিতি আগামী মার্চ মাস পর্যন্ত মনিটরিং করা হবে। সেটি নিয়ন্ত্রণে থাকলে মার্চ মাসের পর স্বাভাবিক শ্রেণি পাঠদান শুরু করা হবে। এর আগ পর্যন্ত বর্তমান নিয়মে ধাপে ধাপে শিক্ষার্থীদের ক্লাস নেওয়া হবে। মার্চের আগ পর্যন্ত আমরা বিষয়টি মনিটরিং করবো।’

 তিনি বলেন, পরিস্থিতি বিবেচনায় পহেলা জানুয়ারি বই উৎসব হবে না। তবে ৯৫ শতাংশ বই বেশিরভাগ স্কুলে পৌঁছে যাবে। বাকি ৫ শতাংশ বই জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে স্কুলগুলোতে পৌঁছে দেওয়া হবে।

 শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, প্রাথমিকের প্রায় সব বই জেলা পর্যায়ে পৌঁছে যাচ্ছে। মাধ্যমিকের ২১ কোটি বই বাঁধাই হয়ে গেছে, বাকি ১৭ কোটিং বেশি বই সরবরাহ করা হয়েছে। আগামী তিন-চার দিনের মধ্যে সব বইয়ের বাধাই করার কাজ শেষ হবে। এরপর স্কুল পর্যায়ের মধ্যে তা পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

[শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্বল্প পরিসরে ক্লাস হবে মার্চ পর্যন্ত : শিক্ষামন্ত্রী]

শিক্ষার অন্যান্য খবর সম্পর্কে জানুন:

প্রথম আলো: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্সের ফরম পূরণ ২৬ ডিসেম্বর

কিউআইএসআই গুরুকুল সাইটটি ব্যবহার করায় আপনাকে ধন্যবাদ। আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে “যোগাযোগ” আর্টিকেলটি দেখুন, যোগাযোগের বিস্তারিত দেয়া আছে।

যবিপ্রবির ৬ জন শিক্ষার্থী পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক

যবিপ্রবির ৬ জন শিক্ষার্থী পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক

যবিপ্রবির ৬ জন শিক্ষার্থী পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক

সর্বোচ্চ ফলাফলের উপর ভিত্তি করে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ৬ অনুষদের ছয়জন শিক্ষার্থী ‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক-২০১৯’-এর জন্য মনোনীত হয়েছেন।  

বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তর সূত্রে এতথ্য জানা যায়। 

প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদকের জন্য মনোনীত যবিপ্রবির শিক্ষার্থীরা হলেন- প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের শোয়েব মোহাম্মদ (আইপিই বিভাগ), জীববিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি অনুষদ এর সাবনীল বিশ্বাস (এফএমবি বিভাগ),  ফলিত বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি অনুষদ এর সায়েদুন্নেছা নিশি (ইএসটি বিভাগ), বিজ্ঞান অনুষদ এর মো. ইসমাইল (রসায়ন বিভাগ), কলা আর সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ এর মো. আতিকুর রহমান এর (ইংরেজি বিভাগ), স্বাস্থ্য বিজ্ঞান অনুষদ এর মো. রায়হান চৌধুরী (পিইএসএস বিভাগ)।

উল্লেখ্য, ২০০৫ সাল থেকে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) মেধাবী শিক্ষার্থীদের প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক দেওয়া শুরু করে। সম্প্রতি ইউজিসি তাদের নিজস্ব ওয়েবসাইটে এ পদকের জন্য মনোনীত দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নাম প্রকাশ করে।

[যবিপ্রবির ৬ জন শিক্ষার্থী পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক]

শিক্ষার অন্যান্য খবর সম্পর্কে জানুন:

প্রথম আলো: ‘স্কুল ভর্তিতে প্রথম শ্রেণি ছাড়া আর কোনো শ্রেণিতে বয়স কোনো বাধা হবে না’

কিউআইএসআই গুরুকুল সাইটটি ব্যবহার করায় আপনাকে ধন্যবাদ। আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে “যোগাযোগ” আর্টিকেলটি দেখুন, যোগাযোগের বিস্তারিত দেয়া আছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেছেনঃশিক্ষার্থীরা সময়মতো বই হাতে পেয়ে যাবে

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্বল্প পরিসরে ক্লাস হবে মার্চ পর্যন্ত : শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী বলেছেনঃশিক্ষার্থীরা সময়মতো বই হাতে পেয়ে যাবে

নতুন বছর এর প্রথম দিন ১ জানুয়ারি থেকে শিক্ষার্থীরা সব নতুন বই পাবে না বলে জানানো হয়েছে  শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির পক্ষ থেকে। তিনি বলেছেন, ‘বাকি বই ৭ জানুয়ারি এর মধ্যে পৌঁছে যাবে। শিক্ষার্থীরা সময়মতো সকল বই হাতে পেয়ে যাবে।’

(২৩ ডিসেম্বর)বৃহস্পতিবার রাজধানীর মাতুয়াইলের মৌসুমী প্রেসটি পরিদর্শন করার সময় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এ কথা জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, নতুন বছরের ৯৫ শতাংশ বই তৈরি হয়ে গেছে। বর্তমানে সেগুলো স্কুল পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। বাকি ৫ শতাংশ বই জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে স্কুলগুলোতে পৌঁছে দেওয়া হবে। এ পর্যন্ত প্রাথমিক এর প্রায় সব বই জেলা পর্যায়ের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে। মাধ্যমিক এর ২১ কোটি বই বাঁধাই হয়ে গেছে, বাকি ১৭ কোটির থেকে বেশি বই সরবরাহ করা হয়েছে। আগামী চার-পাঁচ দিনের মধ্যে সকল ধরনের বই এর বাঁধাই কাজ শেষ হয়ে যাবে। এরপরই সেগুলো স্কুলগুলোর পর্যায় এর মধ্যে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

 মন্ত্রী জানিয়েছেন, ‘এনসিটিবির পক্ষ হতে সপ্তাহে দুই দিন প্রেস পরিদর্শনের মধ্যে আসে। ২০০টি প্রেসের কাজ চলছে ১৫৮টি মাধ্যমিকের এবং ৪২টি প্রাথমিকে। আর যে সকল কোম্পানিকে দায়িত্ব দেওয়া আছে, তারা নিয়মিত পরিদর্শনের মধ্যে আসে। সমস্যা হয়েছিল প্রাক-প্রাথমিক নিয়ে । সেটির সমাধান হয়ে গেছে।’

সাংবাদিকদ দের এক প্রশ্নের উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, আমরা চাই বই এর মান ঠিক থাকুক।আমরা  যদি জানতে পারি কেউ বইয়ের মান খারাপ করেছে, সেটি চিহ্নিত করা হলে তাদের বিরুদ্ধে নেওয়া হবে ব্যবস্থা । পাঠ্যপুস্তক এর মান ঠিক আছে কি না, সেটি নিশ্চিত হতে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের পক্ষ থেকে সপ্তাহে দু-তিন দিন করে মনিটরিং করা হচ্ছে। কোথাও কোনো ত্রুটি পাওয়া গেলে সেসব বই বাতিল করে দেওয়া হচ্ছে।

এ সময় শিক্ষামন্ত্রী মাতুয়াইলের মৌসুমী প্রেস, জনতা প্রেস ও প্রমা প্রেস পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তার সঙ্গে ছিলেন জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের কর্মকর্তা, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা।

[শিক্ষামন্ত্রী বলেছেনঃশিক্ষার্থীরা সময়মতো বই হাতে পেয়ে যাবে]

শিক্ষার অন্যান্য খবর সম্পর্কে জানুন:

প্রথম আলো: ঢাবিতে বিবাহিত ছাত্রীর হলের সিট বাতিলের বিধান বাদ দিতে আইনি নোটিশ

কিউআইএসআই গুরুকুল সাইটটি ব্যবহার করায় আপনাকে ধন্যবাদ। আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে “যোগাযোগ” আর্টিকেলটি দেখুন, যোগাযোগের বিস্তারিত দেয়া আছে।

খুবিতে নতুন শিক্ষাবর্ষের ক্লাস শুরু জানুয়ারি থেকে

খুবিতে নতুন শিক্ষাবর্ষের ক্লাস শুরু জানুয়ারি থেকে

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে/খুবিতে ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের ক্লাস আগামী ১৬ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে। সম্প্রতি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ ভবনের পুরাতন সম্মেলন কক্ষে উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় মধ্যে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

 বুধবার (২২ ডিসেম্বর) খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) এস এম আতিয়ার রহমানের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

 ওই সভায় ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের ক্লাস আগামী ১৬ জানুয়ারি রোববার থেকে শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং এ সংক্রান্ত বিস্তারিত একাডেমিক ক্যালেন্ডার যথাসময়ে প্রণয়ন করা হবে বলে জানানো হয়। এছাড়া শিক্ষার্থীদেরকে নির্ধারিত হলচার্জ এখন হতে বছরে একবারের পরিবর্তে দুই ভাগে প্রতি টার্মের কোর্স রেজিস্ট্রেশন এর সময় গ্রহণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

 সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা, সকল স্কুলের ডিন, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত), ছাত্র বিষয়ক পরিচালক, সকল হলের প্রভোস্টবৃন্দ এবং আইসিটি সেলের পরিচালক উপস্থিত ছিলেন।

[খুবিতে নতুন শিক্ষাবর্ষের ক্লাস শুরু জানুয়ারি থেকে]

শিক্ষার অন্যান্য খবর সম্পর্কে জানুন:

প্রথম আলো: স্কুলের অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিতের সুপারিশ

কিউআইএসআই গুরুকুল সাইটটি ব্যবহার করায় আপনাকে ধন্যবাদ। আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে “যোগাযোগ” আর্টিকেলটি দেখুন, যোগাযোগের বিস্তারিত দেয়া আছে।

কুবিতে ভর্তি মেধা তালিকার প্রকাশ ২৬ ডিসেম্বর

কুবিতে ভর্তি মেধা তালিকার প্রকাশ ২৬ ডিসেম্বর

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে /কুবিতে স্নাতকে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের মেধা তালিকার ফল প্রকাশ করা হবে আগামী ২৬ ডিসেম্বর। এতে ২৯ ডিসেম্বর ভাইবা অনুষ্ঠিত হব ।

বুধবার (২২ ডিসেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা টেকনিক্যাল কমিটির সদস্য সচিব এবং কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের সহকারী অধ্যাপক পার্থ চক্রবর্তী।

পার্থ চক্রবর্তী বলেন, আগামী ২৬ ডিসেম্বর ফলাফল প্রকাশের পর ২৯ ডিসেম্বর মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

গুচ্ছ পদ্ধতির মাধ্যমে সারাদেশের ২২টি বিশ্ববিদ্যালয়ে অংশগ্রহণে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে কুবিতে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা ২০ নভেম্বর দুপুর ১২ টা থেকে ৫ ডিসেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হয়। ১ হাজার ৪০টি আসনের বিপরীতে আবেদন পড়ে ৪১ হাজার ৩২৪ টি। মোট আসনের বাইরে বিভিন্ন কৌটায় বরাদ্দ রয়েছে ৫৯টি আসন। 

উল্লেখ্য, আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের ১২ ডিসেম্বর থেকে ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত তথ্য হালনাগাদেরও সুযোগ দেওয়া হয়।

বিস্তারিত জানতে www.couadmission.com লিংকে ক্লিক করতে হবে। এছাড়া যেকোনো তথ্যের জন্য ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের নির্দিষ্ট হেল্পলাইনে ০১৫৫৭৩৩০৩৮১ ও ০১৫৫৭৩৩০৩৮২ নম্বরে সকাল নয়টা থেকে রাত নয়টা পর্যন্ত যোগাযোগ করতে হবে।

[কুবিতে ভর্তি মেধা তালিকার প্রকাশ ২৬ ডিসেম্বর]

কিউআইএসআই গুরুকুল সাইটটি ব্যবহার করায় আপনাকে ধন্যবাদ। আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে “যোগাযোগ” আর্টিকেলটি দেখুন, যোগাযোগের বিস্তারিত দেয়া আছে।

আজ সিদ্ধান্ত হবে, ঢাবির হলে বিবাহিত ছাত্রীরা থাকতে পারবে কি-না

আজ সিদ্ধান্ত হবে, ঢাবির হলে বিবাহিত ছাত্রীরা থাকতে পারবে কি-না

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের/ঢাবির হলে বিবাহিত ছাত্রীদের হলে থাকার যে বিধিনিষেধ এবং প্রচলিত যে নিয়ম তা বাতিলের দাবি জানিয়েছে আসছিলো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এই আসন বণ্টন সম্পর্কিত নীতিমালা সংশোধনের দাবির প্রেক্ষিতে আলোচনায় বসছে প্রভোস্ট স্ট্যান্ডিং কমিটি। 

আজ বুধবার সন্ধ্যা ৬টায় বসবে প্রভোস্ট স্ট্যান্ডিং কমিটির নিয়মিত সভা। বৈঠকের আলোচ্যা বিষয় সম্পর্কে প্রভোস্ট স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য সচিব ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. একেএম গেলাম রব্বানী বলেন, বিবাহিত ছাত্রীদের হলে থাকার বিষয়ে বর্তমান নীতিমালা পর্যালোচনা এবং ছাত্রীদের দাবি বিবেচনায় নিয়ে আগামীকাল প্রভোস্ট স্ট্যান্ডিং কমিটির সভায় একটা সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। 

ছাত্রীদের পাঁচটি হলে আসন বণ্টন সম্পর্কিত নীতিমালায় বলা রয়েছে– কোনো ছাত্রী বিবাহিত হলে অবিলম্বে কর্তৃপক্ষকে জানাবেন। অন্যথায় নিয়ম ভঙ্গের কারণে তার সিট বাতিল হবে। শুধু বিশেষ ক্ষেত্রে বিবাহিত ছাত্রীকে চলতি সেশনে হলে থেকে অধ্যয়নের সুযোগ দেওয়া হবে। অন্তঃসত্ত্বা ছাত্রী হলে থাকতে পারবেন না।

[আজ সিদ্ধান্ত হবে, ঢাবির হলে বিবাহিত ছাত্রীরা থাকতে পারবে কি-না]

শিক্ষার অন্যান্য খবর সম্পর্কে জানুন:

প্রথম আলো: জেএসসি শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণের সময় বাড়ল

কিউআইএসআই গুরুকুল সাইটটি ব্যবহার করায় আপনাকে ধন্যবাদ। আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে “যোগাযোগ” আর্টিকেলটি দেখুন, যোগাযোগের বিস্তারিত দেয়া আছে।